মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬

চায়ের কাপে এক চুমুক, ব্যাস শরীরের ক্লান্তি নিমিষেই দূর- চায়ের মাহাত্ম্য তো এখানেই।‘এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই/ ডাইনে ও বাঁয়ে আমি তোমাকে চাই/ দেখা না দেখায় আমি তোমাকে চাই/ না-বলা কথায় আমি তোমাকে চাই…’ কবির সুমনের গাওয়া জনপ্রিয় এই গানটির সঙ্গে চায়ের প্রতি ভালোবাসার চিত্র ফুটে উঠে। ইংরজিতে চা-এর প্রতিশব্দ হলো টি। গ্রীকদেবী থিয়ার নামানুসারে এর নাম হয় টি। চীনে ‘টি’-এর উচ্চারণ ছিল ‘চি’। পরে হয়ে যায় ‘চা’। খুব ইচ্ছে ছিল চা বাগানটা পরিপূর্ণ ভাবে ঘুড়ে বেড়াবো। Islam Masudul ভাইয়ের কারনে এ স্বপ্নটা সার্থক হলো। চা বাগান থেকে একবারে চা প্রক্রিয়া প্রযন্ত খুব ভালো ভাবে ঘুড়ে বেড়িয়েছি। চা শ্রমিকদের জীবনটা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে।
                                             চায়ের কুঁড়ি সংগ্রহ করছে চা শ্রমিক





গুঁড়ো হচ্ছে। শিফটিংঃ এই ধাপে ফার্মেন্টেড চা পাতাগুলিকে গুগি শিফটারের মধ্যদিয়ে চালনা করা হয়। এবং এই চালনা করার ফলেই চা পাতা গুলি দানাদার আকার ধারণ করে।








গুঁড়ো সংগ্রহ করা হচ্ছে

গুঁড়ো সংগ্রহ করা হচ্ছে।রোলিং এর পরে চায়ের পাতা গুলিকে ১ থেকে ২ ঘন্টার জন্য বতাসের উপস্থিতিতে জারিত হবার জন্য রেখে দেয়া হয়। এই জারণের জন্য চায়ের রঙ কালচে হয়ে থাকে। এই ধাপেই থিয়োরুবেজিন ও থিয়োফ্লাবিন তৈরি হয় যা চায়ের গুনগত মান প্রকাশ করে থাকে।

পাতাগুলো রখা হয়েছে কনভেয়ার বেল্টে, এখান থেকে যাবে গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো হবার জন্য।চা প্রক্রিয়াজাত করণের ১ম ধাপ উইদারিং। এই ধাপে বাগান থেকে সংগ্রহ করা দুটি পাতা একটি কুঁড়ি ৮-১০ ঘন্টা রেখে দেয়া হয়। যাতে করে আর্দ্রতা হ্রাস পায়। এবং পাতা গুলি মলিন হতে শুরু করে। এই ধাপে চা এর বিভিন্ন রাসায়নিক পরিবর্তন শুরু হতে থাকে।

হালকা শুকানোর পর আবার ড্রায়িং মেশিনে দেয়া হচ্ছে



এই ধাপে চায়ের পাতা গুলি খুব ছোট ছোট করে কাটা হয়। এই কাটা কাজটি করা হয়। CTC মেশিনের সাহায্যে। রোলিং এর সময় পাতার কোষ প্রাচীর গুলি ভেঙ্গে যায় এর ফলে পলিফেনল এবং পলিফেনল অক্সিডেজ এনজাইম একত্রিত হয়ে মিশ্রিত হয়।

গ্রেডিং হচ্ছে চা প্রক্রিয়াজাত করণের সর্ব শেষ ধাপ। এই ধাপে চা কে বিভিন্ন গ্রেডে ভাগ করা হয়ে থাকে।চা এর বিভিন্ন গ্রেড


Tea Dust.

শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৬

গৃহিনী নাকি গৃহ ব্যবস্থাপক  নাকি হোমমেকার ? কি সম্মান দিবো তাদের আমরা।

আমি আজ এমন এক বিষয় নিয়ে কথা বলবো যা নিয়ে আমরা প্রতিদিন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। তা হলে আমাদের পরম প্রিয় মানুষটির কাজ কে আমরা কিভাবে মূল্যায়ন করবো। বর্তমান মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে সবকিছুকে আমরা বিনিময় যোগ্য করে ফেলেছি। এমনকি অনুভূতি গুলো কে অর্থের মাপকাটি তে ফেলেছি।

পরিবার সমাজের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।পরিবার ব্যক্তিকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে সমাজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে ভিত্তি কে তিলে তিলে গলা টিপে ফেলেছি। আজ এতো অনৈতিকতার মূল কারণ হলো এই ভিত্তি কে নষ্ট করা। আজ হতে ১৪০০শ বছর পূর্বে যার আগমনে এই ধারিণীতে হয়েছিল ধন্য সে বলছে কেমন সম্মান হবে আমাদের নারীদের এবং দেখিয়ে দিয়েছিলো নিজের জীবনে এমকি তার সাহাবাদের জীবনে আমরা তা দেখতে পায় । কিন্তু বর্তমানে অর্থনীতির যাঁতাকলে আমরা নিষ্পেষিত হয়ে এই সংজ্ঞা কে ক্রমেই অপমান করছি। ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবারে নারী ও পুরুষ পরস্পরের সহযোগী।স্বামী ও স্ত্রী পরিবার গঠনের মাধ্যমে পরস্পরের পাশে থেকে ইহকালীন ও পারলৌকিক সৌভাগ্য অর্জন করতে চান। তাই পরিবার নারী ও পুরুষের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র নয় বরং তা  সহযোগিতার কেন্দ্র। এখানে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে মানুষের আত্মিক উন্নতি ঘটে এবং বিকাশ ঘটে মানবীয় প্রতিভার। অন্য কথায় ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবারের ভিত্তি হল ভালবাসা প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নয়। দাম্পত্য জীবনসহ জীবনের সব দিকে স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরকে সহযোগিতা করে এই ভালবাসার ভিত্তিতেই। সে জন্য পরিবারের সদস্যরা দায়িত্ব বা কাজগুলো ভাগ করে নেন।ইসলাম গৃহস্থালী কাজ করার দায়িত্ব কখনও নারীর ওপর চাপিয়ে দেয়নি। তবে নৈতিক উপদেশ হিসেবে ঘরের কাজ করতে সক্রিয় বা উদ্যোগী হওয়ার জন্য নারীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এবং এ ধরনের কাজ করাকে ইবাদতের সমতুল্য বলে উল্লেখ করেছে। কারণ, পরিবারে ভারসাম্য রক্ষার জন্য কাজ ভাগ করে নেয়া বা শ্রম-বিভাজন জরুরি। আর এরই আলোকে ঘরের বাইরের কঠিন কাজগুলো করা পুরুষের দায়িত্ব। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) নারীদের বলেছেন: যে নারী বা স্ত্রী যখন স্বামীর ঘরের কোনো জিনিষকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেয় তথা কোনো কাজ করে ঘরের সংস্কার বা উন্নয়নের লক্ষ্যে সে সময় আল্লাহ তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকান। আর আল্লাহ যার দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন তাকে তিনি শাস্তি বা আজাব দেবেন না।এ ছাড়াও ইসলাম ঘরের কাজকর্মে স্ত্রীকে সহায়তা করতে স্বামীকে পরামর্শ দিয়েছে। ঘরের কাজ করা কেবল স্ত্রীর দায়িত্ব –এমনটি ভাবতে নিষেধ করে ইসলাম। আমিরুল মুমিনিন আলী (আ.) ঘরের কাজে ফাতিমা (সা.)-কে সহায়তা করতেন বলে বহু বর্ণনা রয়েছে। তিনি ঘরের চুলার জন্য লাকড়ি বয়ে আনতেন, ঘরের জন্য পানি আনতেন এবং ঘরে ঝাড়ু দিতেন। অন্যদিকে ফাতিমা (সা.) আটা বানাতেন, খামির করতেন ও রুটি তৈরি করতেন।
কিন্তু পশ্চিমা নারীর ইতিহাসে দেখা যায় প্রাচীন, মধ্য ও রেনেসাঁর যুগেও পশ্চিমা নারী ছিল সম্মানহীন ও পুরুষের দাসীর সমতুল্য।গ্রিক কবি হোমারের মতে নারীর কাজ হল কেবল সন্তান জন্ম দেয়া ও ঘর-কন্নার কাজ করা। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল মনে করতেন পুরুষের সেবিকা হিসেবে নারী হল দাসী।রেনেসাঁর যুগেও পাশ্চাত্যে নারীর অবস্থা তেমন উন্নত হয়নি।আসলে ফেমিনিজম বা নারীবাদী আন্দোলন গড়ে উঠেছিল নারীর প্রতি পাশ্চাত্যের ঐতিহাসিক জুলুমের প্রতিবাদে। কিন্তু এই আন্দোলনও নারীর ভূমিকায় কোনো ভারসাম্য আনতে পারেনি বরং আন্দোলনটি উগ্রবাদ বা চরমপন্থী চিন্তার শিকার হয়েছে। কারণ, তারা নারী মুক্তির কথা বলে নারীকে তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ করেছে।পাশ্চাত্যে নারীবাদের বিস্তারের ফলে বিয়ে করা, মা হওয়া ও সংসারী হওয়াকে নারীর জন্য অশালীন বলে মনে করা হয় এবং ঘরের বাইরে নারীর কাজ করাকে ব্যাপক উতসাহ দেয়া হয়। আজ আমাদের মা বোনেরা এই ধোকায় পরে সবকিছুর জলাঞ্জলি দিচ্ছে।
হযরত আলী (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন যে, 'তোমার কাছে তো আমার অনেক ঋণ হয়ে গেল।" জবাবে তাঁর স্ত্রী বলতেন, 'আমি আপনাকে ভালবাসি আর আল্লাহর কাছে প্রতিদান চাই।"
মানবিক বিবেচনায় দেখলে, গৃহিনীর কাজ উচুমানের পেশা বটে। যে পেশা চালু না থাকলে সুস্থ্য স্বাভাবিক প্রজন্মের বিকাশ সম্ভব নয়। একজন 'স্ত্রী' কে কেন শুধুই শয্যাসঙ্গী মনে করা হবে? অথবা কেন শুধুই মনে করা হবে যে, তিনি বাধ্যতামূলকভাবে সংসারের রান্নাবান্না আর ধোয়ামোছার কাজে নিযুক্ত। আধুনিক 'গৃহস্থবিদ্যা' অনুসারে একজন 'স্ত্রী' র কাজকে বলা হয় 'হাউজ ম্যানেজমেন্টের' কাজ। একজন স্ত্রী আধুনিক ভাষায় একজন 'হাউস ম্যানেজার'।
মূল কথা হলো আমরা পুরুষরা আমাদের সমাজ কে নিজেদের সুবিধা মতো সাজিয়েছি যা অনেক কাল ধরে চলে আসছে। ইসলাম আমাদের শিখিয়ে দিয়েছে কেমন হওয়া উচিত আমাদের জীবন তা মেনে চলার মধ্যেই সুখ নিহিত আছে।

বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৪

কিছুদিন আগে ফেসবুকের কোনো এক পেজে এই গল্পটি পেয়েছিলাম...ভাল লাগলো তাই শেয়ার করলাম: এক সত্যিকারের কাহিনী বলি আপনাদের! অনেক অনেক দিন আগে, এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হাজ্জ পালনের উদ্দেশে রওনা দিলেন। মাঝ পথে হটাত বাবা তার ছেলে কে বললেন, ''তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও, আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব, আমাকে নিয়ে ভয় পেয়োনা, '' এই বলে বাবা নেমে পরলেন উটেরর পিঠ থেকে, ছেলেও চলতে লাগল কাফেলার সাথে, কিছুক্ষন পর সন্ধ্যা হয়ে এল ,ছেলে আশে পাশে কোথাও বাবা কে খুজে পেলনা , সে ভয়ে উটের পিঠ থেকে নেমে উল্টা পথে হাটা শুরু করল , অনেক দূর যাওয়ার পর দেখল তার বৃদ্ধ বাবা অন্ধকারে পথ হারিয়ে বসে আছেন, ছেলে দৌড়ে বাবার কাছে গিয়ে বাবাকে জরিয়ে ধরলেন , অনেক আদর করে বাবা কে নিজ কাঁধে চড়ালেন , তারপর আবার কাফেলার দিকে হাটা শুরু করলেন, তখন বাবা বললেনঃ আমাকে নামিয়ে দাও আমি হেটেই যেতে পারবো ছেলে বললোঃ বাবা আমার সমস্যা হচ্ছে না, তোমার ভার ও খোদার জিম্মাদারি আমার কাছে সব কিছুর চেয়ে উত্তম , এমন সময় বাবা কেদে দিলেন ও ছেলের মুখে বাবার চোখের পানি গড়িয়ে পরল ছেলে বললঃ বাবা কাদছ কেন?? বললাম না আমার কষ্ট হচ্ছে না , বাবা বললেনঃ আমি সে জন্য কাদছি না , আজ থেকে ৫০ বছর আগে ঠিক এই ভাবে এই রাস্তা দিয়ে আমার বাবা কে আমি কাঁধে করে নিয়ে গিয়েছিলাম , আর বাবা আমার জন্য দোয়া করেছিলেন এই বলে যে , '' তোমার সন্তান ও তোমাকে এরকম করে ভালবাসবে। আজ বাবার দোয়ার বাস্তব রূপ দেখে চোখে পানি এসে গেল । বৃদ্ধ মা বাবা কে আপনি যেমন করে ভালবাসবেন , ঠিক তেমনটাই আপনি ফেরত পাবেন আপনার সন্তানদের মাধ্যমে ! তাই বলছি , নিজের সুখের জন্য হলেও মা বাবারসেবা যত্ন করো ! '' রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানিসাগিরা ''
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
বুঝিবে সে কিসে 

চিরসুখীজন ভ্রমে কি কখন
ব্যথিতবেদন বুঝিতে পারে।
কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে
কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে।
যতদিন ভবে, না হবে না হবে,
তোমার অবস্থা আমার সম।
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে
বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।
Nieom kore Blog lekha ta aktu kothin.Tai aj blog ta thi ache ki na aktu check korchi.

মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

Hoping..

Samne World cup cricket 2011.Sara desh mate achee cricket jore.Othoco amar modhee temon kono sara nai.Aslo ai ak mas ato bipoder modhe diee gachee je anek anuvob gulo jeno khora hoee gachee.Office ak software project cholche.I dont know when it will stable in GWL.Today i will go Tangail . Basar sobai sakale gachee.13 february picnic chilo.Valo Hoachee.Ami internal decoration e chilam abon guestder khabar rer daittoe chilam.
Hope everthing will be fine.


রবিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১১

Chira gelam matir prithibi Zeboon khalia harialam sobi..

Prothom-alo akta news choker kone  jal ane dile.Narshindite 10 jon Police accidente mara gachee.Ki hobe oder poribarer.Chinta korun oder wife ,sontander kostor kotha.Othocho amra dunir khelai motto theke sob kichu vule jai.Mitto (Death) bole akta ginis achee.Dunia te bahaduri dekhai,Sokti Dekhai,Ahonkar dekhai.Kothai jabe asob asob ahonkar,asob power,Asob lov.Manus hisabe amder kag ki???vabte hobe sobai ke????He ALLAH amder sokol ke sothik bugh deoo.AMIN.